Thursday

Bangla Health Tips : Best Health Tips In Bangla 2019

SHARE

Bangla Health Tips : Best Health Tips In Bangla 2019






নারীরা মায়ের জাতী। মায়ের সম্মান কত তা লিখে শেষ করা যাবেনা। মোহাম্মদ (সা.) বলেছেন, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত। অন্য হাদিসে আছে "মা, মা ,মা এবং বাবা" এ থেকেই বুঝা যায় মায়ের গুরুত্ব, সম্মান কত। কিন্তু মা হওয়া কি সোজা? না। প্রত্যেক নারীকে মা হতে প্রচুর কস্ট করতে হয় । যা প্রত্যেক মা ই ভালো জানে। গর্ভবতী অবস্থায় মায়েদের শরীরের জন্য এমনকি শিশুর জন্যও বিশেষ কিছু ভিটামিন মিনারেলের প্রয়োজন হয়। যা মা ও শিশুর দেহ মন সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আজকে তেমন কিছু ভিটামিন নিয়ে কথা বলবো।

10 Vitamins For Pregnant Mom | Bangla Tips For Mom

List

  1. ফলিক এসিড।
  2. ক্যালসিয়াম।
  3. আয়রন।
  4. ভিটামিন ডি
  5. ভিটামিন ই।
  6. ভিটামিন সি।
  7. ম্যাগনেসিয়াম।
  8. ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড।
  9. পটাসিয়াম।
  10. পানি।


১.ফলিক এসিড।
সুস্থভাবে সন্তান প্রসবের জন্য ফলিক এসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক গর্ভবতী নারীর জন্য ফলিক এসিড যুক্ত খাবার প্রয়োজন। ডাক্তাররা অনেকসময় ফলিক এসডের জন্য টেবলেট দিয়ে থাকেন। তবে শাক সবজিতেও ফলিক এসিড থাকে, ফলিক এসিড থাকে এভোকেডো তে। বাংলাদেশের বাজারে এখন এভোকেডো পাওয়া যায়। অনেকেই এভোকেডো চাষ করছে। ফলিক এসিডের ঘাটতিতে মস্তিস্কজনিত সমস্যা হতে পারে। ২. ক্যালসিয়াম। কি নারী কি পুরুষ সবার জন্যই ক্যালসিয়াম অতি দরকারি একটি উপাদান।দেহের গঠনে বিশেষ করে হাড় ও দাত গঠনে ক্যালসিয়াম অতি জরুরী। নারীদের ক্ষেত্রে বয়স ৩৫ এর পরে নারীদের ক্যালসিয়াস ক্ষয় হতে থাকে। গর্ভাবস্থায় ক্যালসিয়াম ক্ষয় রোধ, দেহ গঠন, ইত্যাদিন জন্য ক্যালসিয়াম খাওয়া জরুরী। ক্যালসিয়ামএর টেবলেট আছে যা সাথারনত ডাক্তােরর পরামর্শ ক্রমে ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া কালো বিন,বাদাম, দুধ পনির ইত্যাদিতেও ক্যালসিয়াম আছে। নিয়মিত দুধ পান দেহ কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ৩. আয়রন।
নারীদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে আয়রনের ঘাটতি হতে থাকে। মাসিকের সময় আয়রনের ক্ষয় হয়। আয়রনের অভাবে নিদ্রাহীনতা, মনোযোগ হারানো, অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা সৃষ্টি হয়। আয়রন পেতে গরু,খাসি,ভেড়ার মাংস খেতে পারেন। ব্রোকলিতেও আয়রন থাকে। পর্যাপ্ত আয়রন শরীরে অক্সিজেনের পরিবহন বাড়িয়ে দেয়। দেহকে সতেজ রাখে। ৪. আমাদের দেশের অনেক মহিলায় ভিটামিন ডি এর অভাবে ভুগেন। যদিও রোদ থেকেই ভিটামিন ডি সহজেই পাওয়া যায় তবে শহরের অনেকেই ঠিকমত রোদের স্পর্শ পেতে পারেন না। এতে করে তাদের দেহে ঠিকমত ভিটামিন ডি পাই না। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি পেতে সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করতে পারেন।এজন্য অবশ্যই আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। ভিটামিন ডি মানসিক স্বাস্থের জন্য উপকারি। ৫. ভিটামিন ই। ভিটামিন ই একটি শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট যা প্রধানত পাবেন স্নেহ জাতীয় খাদ্যে। ভিটামিন ই এর প্রধান প্রধান উৎস হলো তেল বীজ বাদাম ইত্যাদি স্নেহ জাতীয় খাদ্যে। আধুনিক নগরে বায় দুষন কমন সমস্যা। বায়ুদূষণ এর ক্ষতিকর প্রভাব রোধে ভিটামিন ই কার্যকর। তাছাড়া যাদের পাশের ব্যক্তি সিগারেট আসক্ত, সিগারেটের ক্ষতিকর প্রভাবরোধেও ই ভিটামিন কার্যকর। সূর্যের আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্নির ক্ষতি থেকে ত্বক কে বাচাতে ভিটামিন ই খুবই উপকারী।


৬. ভিটামিন সি। লাল মরিচ,লেবু,আমলকি,কমলা লেবুতে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি ত্বকের যত্নে কার্যকরী, টিস্যু ও পেশি সুস্থ রাখতে ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একজন পূর্নবয়স্ক নারীর প্রতিদিন ৭৫ মিলিগ্রামের বেশি ভিটামিস সি প্রয়োজন। ৭. ম্যাগনেসিয়াম। ক্যালসিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম শুধু নামেই না কাজেও মিল। ক্যালসিয়াম এর মতো ম্যাগনেসিয়াম ও হাড় ও পেশি গঠনে কাজ করে। যদি দেহে ম্যাগনেসিয়াম এর পরিমান ঠিক রাখতে চান তাহলে নিয়মিত পালং শাক,কুমড়ার বীজ,কাগজী বাদাম খান। এসব খাদ্যে ম্যাগনেসিয়াম আছে। ৮.ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড। ফ্যাটি এসিডটি নারীদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। আপনার যদি রক্তচাপ কমাতে হয় তাহলে ওমেগা ৩ , জ্বালাভাব কমাতে চান? ওমেগা ৩ । তাছাড়া ওমেগা ৩ ক্যান্সার, হার্ট এটাক প্রতিরোধেও ভুমিকা রাখে। কোথায় পাবেন ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড? বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছে ওমেগা 3 ফ্যাটি এসিড থাকে।তার মধ্যে বাদামি টুনা মাছ, স্যামন মাছ,হ্যালিবাট মাছ অন্যতম। ৯. পটাসিয়াম। দেহ সুস্থ সবল রাখতে প্রচুর পটাসিয়াম প্রয়োজন।একজন পূর্নবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৪৫০০+ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম এর প্রয়োজন। হাড়ের জন্য পটাসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ। দেশি খাবারের মধ্যে পালং শাক, মিস্টি আলুতে পটাসিয়াম পাবেন। নিয়মিত শাকসবজি খান,সুস্থ থাকুন। ১০. পানি। পরিমিত কিন্তু নিয়মিত পানি পান করুন পানির অভাবে শরীরে নানারকম দূর্বলতা দেখা দেয়। প্রতিদিন ৪ লিটারের বেশি পান পান করার চেস্টা করুন। আল্লাহর নিয়ামত গুনে শেষ করা যাবেনা। এসব নিয়ামত থেকে হালালভাবে রিজিক অনুসন্ধান করুন। অপচয় করবেন না কোন কিছুর। গরিব অসহায়দের প্রতি সদয় হোন, তাদেরকেও প্রয়োজনীয় খাদ্য প্রাপ্তিতে সাহায্য করুন। দান সদকাহ করুন বেশি বেশি।



কিভাবে এই স্ট্রেসমার্ক দূর করা যায় | How To Remove Stress Mark | Bangla Tips



অনেকের শরিরেই ফাটা দাগ হয় যাকে আমরা স্ট্রেস মার্ক বলে থাকি।
শরীরের বিভিন্ন অংগেই এটা হয়ে থাকে।
পেট, পিঠ,হাটুর ভাঝে,কোমরে ইত্যাদি।
স্ট্রেস মার্ক বিভিন্ন কারনে হয়,
এর মধ্যে আছে মেদ বৃদ্ধি, পানির ঘাটতি। সন্তান জন্মের পর তলপেটে স্ট্রেস মার্ক হয়। মেদ বৃদ্ধি হলে শরীরের বাড়তি আয়তনকে কাভার করতে চামড়া স্ট্রেস করে ফলে দাগ হয়।
অনেকেই এই দাগের ফলে বিব্রতবোধ করেন।
জানতে চান কিভাবে এই স্ট্রেসমার্ক দূর করা যায়।

আপনার জন্য কিছু সমাধান দেয়ার চেস্টা করছি,
ট্রাই করে দেখতে পারেন।

১. ডিম।
প্রতিদিন ডিমের সাদা অংশ মেসেজ করবেন। দাগের উপর ডিমের সাদা অংশ 8/10 মিনিট মেসেজ করবেন।
চেস্টা করবেন ডেইলি তিনবার মেসেজ করতে। যতদিন দাগ না যায় ততদিন মেসেজ করতে থাকুন।
২. সাপ্লিমেন্ট।
প্রতিদিন 3 বার সাপ্লিমেন্ট খাবেন।
৩.ভিটামিন সি।
প্রতিদিন ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ক্রিম ফাটা দাগের উপর মালিশ করুন। এটা প্রতিদিন 3 বার করে করবেন।
4. লেবু।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ক্রিম বা সাপ্লিমেন্ট পাচ্ছেন না? সমস্যা নেই ঘরে থাকা লেবু কাটুন, লেবুর টুকরো ফাটা দাগের উপর 15/20 মিনিট ধরে রাখুন,মেসেজ করুন।
উপকার পাবেন আশা করি।
5.টোনার,ক্লিনজার।
টোনার, ক্লিনজার ব্যবহার করুন।
এতে থাকা গ্লাইকোলিক এসিড দাগ ভালো করতে সাহায্য করে।
6.স্ক্রাইবার।
বাসাতেই স্ক্রাইবার বানিয়ে মালিশ করুন। স্ক্রাইবার বানাতে বেশি কিছু লাগেনা,জাস্ট চিনি, লেবুর রস,ওলিভ ওয়েল মিশিয়েই স্ক্রাইবার বানিয়ে ফেলুন।
প্রতিদিন 5/10 মিনিট স্ক্রাইবার দিয়ে স্ক্রাইব করুন।
7. আলু।
অবাক হচ্ছেন? হ্যা আলুর রসও উপকারী।
আলুকে কেটে দাগের উপর রেখে দিন কিছুক্ষণ, রস ভালো করে লাগলে ধুয়ে ফেলুন।
8. ঘৃতকুমারী তেল।
ঘৃতকুমারী পাতার রস সংগ্রহ করুন।
নিয়মিত দাগের উপর সেই রস ব্যবহার করুন। দাগে রস লাগিয়ে 2 ঘন্টা বসে থাকুন অতঃপর ধুয়ে ফেলুন ভালো করে।
9.নিয়মিত প্রোটিনযুক্ত খাবার খান।
নিচে কিছু প্রোটিনযুক্ত খাবারের লিস্ট দিচ্ছি সেগুলো নিয়মিত খাওয়ার চেস্টা করবেন।
ডিম,মাছ,দই,বাদাম ইত্যাদি নিয়মিত খাবেন। এগুলো ফাটা দাগ কমাতে সাহায্য করবে।
10. এপ্রিকট ফল।
এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিন , বাকি অংশ দিয়ে পেস্ট বানান এবং পেস্টটা দাগের উপর প্রতিদিন 2 বার 18/20 মিনিট করে রেখে দিন।।
উপরের কাজগুলো নিয়মিত করলে আপনার শরীরের ফাটা দাগ বা স্ট্রেস মার্ক অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করি।
দাগ যদি গুরুতর হয় তাহলে ইন্টারনেটে সমাধান না খুজে বরং ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
SHARE

Author: verified_user