Wednesday

বৃত্ত ভরাটে ভুল হওয়াতে পরীক্ষার্থী কে থাপ্পড়! চট্টগ্রাম কলেজে এইচ ইস সি পরীক্ষার্থীদের সাথে হলের গার্ডদের খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ

SHARE

বৃত্ত ভরাটে ভুল হওয়াতে পরীক্ষার্থী কে থাপ্পড়! চট্টগ্রাম কলেজে এইচ ইস সি পরীক্ষার্থীদের সাথে হলের গার্ডদের খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ


আমি চট্টগ্রাম কলেজে এইচএসসি এক্সাম দিচ্ছি এবার।
গতকাল আমাদের 
উচ্চতর গনিত ১ম পত্র পরীক্ষা ছিল।
 গতকাল হল গার্ডের বাজে আচরন নিজের চোখে দেখেছি।
 আসলে আমরা কতটা চাপের মধ্যে আছি,
 আমাদের ব্যাচের প্রতিটা স্টুডেন্ট কতটা চাপ সহ্য করে এক্সাম দিচ্ছে তা শুধু আমরাই জানি। 



আমরা প্রথমেই ওএমআর শিটে নিজেদের রোল,রেজিস্ট্রেশন নাম্বার গুলো বসিয়ে বৃত্ত ভরাট করছিলাম।
যখন আমাদের কিছু ভুল হয়, 
বা টেনশনে কোন বৃত্ত ভরাটে ভুল করে ফেলি।
 হলের টিচাররা সুন্দরভাবে সলুশন দেন। আর বুঝিয়ে দেন কিভাবে কি করতে হবে।কিন্তু গতকালের চিত্রটা ছিল একেবারেই ভিন্ন।

আমাদের কলেজেরই একটা ছেলে 
সিগনেচার শিটে একটু বৃত্ত ভরাটে ভুল করেছে বলে তাকে কত গালাগালি। প্রশ্ন দেয়ার সময় পেছনে 
পাস করতে দেরি হচ্ছিল বলে গালে থাপ্পড় পর্যন্ত বসাতে দ্বিধাবোধ করেনি। এমনকি দুটো মেয়ে পাশাপাশি বসেছিল।

তারা প্রশ্নের সেট বদল করেছিল বলে তাদের
 ওএমআর নিয়ে আর আন্সার করতে দেয় নি। 
ঘন্টা পড়ার প্রায় ১০ মিনিট আগে দিয়েছিল।
আমাদের ২৫ টা মচকের জন্য ২৫ মিনিট সময় থাকে। 
সেখানে মাত্র ১০ টা মিনিটে তারা আর কি করবে?
তার আগেই তো তাদের মানসিকভাবে হ্যাম্পার হতে হয়েছে।দোষ করেছে প্রয়োজনে আবার প্রশ্ন বদলিয়ে দেয়া যেতো। সিট পাল্টিয়ে অন্য কোথাও বসিয়ে দেয়া যেতো।কিন্তু এভাবে কারো লাইফ নিয়ে চিনিমিনি মানুষ কিভাবে খেলে বুঝিনা আমি।


গতকাল ম্যাথে একটুও মনযোগ দিতে পারছিলাম না। পুরো ক্লাস অন্য সময় থমথমে থাকে। আর ম্যাথও করতে হয় নিরব পরিবেশে।কিন্তু তিনি প্রতিবারই আমাদের কলেজের স্টুডেন্টদের গালি আর বকা দিচ্ছিলেন।জোরে জোরে কথা বলছিলেন।


নৈর্ব্যক্তিক এর শিট জমা দেয়ার পর যখন সিকিউ লেখা শুরু করলাম।তারপর প্রায় ২০ মিনিট পর ঘটলো আরো একটা ঘটনা।

আমাদের কলেজেরই একটা মেয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে কাপড় ঠিক করছিল।ওকে হঠাৎ করেই বলে উঠে দাঁড়াতে।সে বারবার বলছিল তার কাছে কিছুই নেই।কিন্তু স্যার শুনছিলেন না। পরে কলেজের একটা মেয়ে দপ্তরী এনে তার বডি পুরো চেক করে।অথচ কিছুই পায় নি। আমরা সবাই ওদের দিকে তাকিয়েছিলাম।পুরো ক্লাসের কেউ ই এক্সামে মনযোগ দিতে পারছিলাম না।একটার পর একটা সার্কাস করেই যাচ্ছিলেন স্যারটা। মেয়েটার উপর সন্দেহের জোরে, যে ২০ টা মিনিট ওর থেকে কেড়ে নিল ওই সময়টা কি স্যার মেয়েটাকে ফেরত দিবে নাকি দিয়েছে?
আমাদের এক্সাম খারাপ হয় শুধুই কি আমাদের কারনে? এসব টিচারের কি কোন বিচার হবেনা কখনো? এরা আজ শোধরাচ্ছেনা,কাল ও শোধরাবেনা। বার বার আমাদের মতো হাজারও শিক্ষার্থী এদের দ্বারা মেন্টালি টরচারের শিকার হবে। আমরা তা মুখ বুঝে সহ্য করবো।
আর এটাই নিয়ম। 👌

-    


SHARE

Author: verified_user