Thursday

Mon Kharap Pic | Mon Kharaper Chobi

SHARE

                  Mon kharap pic And Video


Mon Kharap Photos

 mon kharap pic diye ki korben?



amader jokhon mon kharap hoi tokhon amra mon kharap pic ba mon kharap gaan khuji,

kintu keno? 

mon kharaper somoy to mon valo pic ba mon valo korar kobita khujar kotha, tai na?
amader mon onekta maze er moto, dukkho bilasi mon.

mon kharap er somoy mon shudhu dukkho bilasitai vugte chai.

r kotha na bariye cholon dekha jak amader mon kharap pic er list e ki ki thakche.

1. Bangladeshi mon kharap pic. 

Bangla Sad Sms
Mon Kharaper Sms bangla

Mon Kharap Pic With Bangla Sad Sms





Mon Kharap Pic


Mon Kharap Chobi

Alone Bird Pic

Mon Kharap er pic


2. Korean mon kharap pic

Korean Sad Photo
Korean Sad Photo Of a Girl

Sad Alone Picture
Bosonto Bilash

Mon Kharap chobi


3. mon kharap animi.

Mon Kharap
Mon Kharap Animi

Mon Kharap image


4. mon kharaper chobi.

Movie Sad

Kiss Image
Sad Kiss Image


wallpapers


5. mon kharap kora lonely scene.

mon kharap kora lonely scene
Mon Kharap Korar Photo Of Old Couple

mon kharap kora  scene

Red Rose



6. mon kharaper kobita Video





Mon Kharap Golpo

Mon Kharap Pic er Golpo

বই- মেমসাহেব
লেখক- নিমাই ভট্রাচার্য

পৃষ্টা- ১১১.৫
মূল্য- ১০০টাকা
প্রকাশকাল- ১৯৮৫ (সংস্করণ ২০০৮)
প্রকাশনা- ডে'জ পাবলিশিং


আচ্ছা কখনও ভালোবাসা খেয়ে দেখেছেন?
পাঁচ তারা রেস্টুরেন্টে খাওয়া,নিজের ঘরে খাওয়া অথবা খোলা আকাশের নিচে বসে খাওয়া এ সবকিছু থেকে আলাদা সেটা!
নেশার মতো। পৃথিবী আপনার একমুখী হয়ে যাবে,তীর চিহ্নের মতো সমান্তরাল। লোকমুখ, সমাজবাদ, জীবনত্ব সবকিছু থেকে আলাদা এক চতুর্থপন্থা। বড্ড আজব সেটা।
---------------

"যারা কাছে আছে তারা কাছে থাক,
তারা তো পারে না জানিতে
তাহাদের চেয়ে তুমি কাছে আছ,
আমার হৃদয়খানিতে।"

-ওয়েস্টার্ন কোর্ট
নিউদিল্লী

প্রথম পৃষ্টায় সবার উপরে এই লেখাটি লেখা। অর্থাৎ উপন্যাসের শুরু এটা দিয়েই।
কিন্তু সত্যিই এটা শুরু নয়। এটা শেষ কথা!
একজন ঐ সময়ের প্লেবয়,ক্ষুদ্রে মাইনেতে চাকুরী করা রিপোর্টারের একজন মেমসাহেবের প্রেমে পড়ে খাঁটি আর শুদ্ধ প্রেমের তরীতে ভেসে সেই মেমসাহেবের শক্ত মনোবলের স্ফুলিঙ্গে ভর করে দেশ সেরা রিপোর্টার হয়ে উঠে সোনার হরিণীকে জীবনের জন্য কাছে পেতে পেতে একেবারে হারিয়ে ফেলার পর এক অসহায় প্রেমিকের আর্তনাদ এটা।
এই কথাগুলো শুরু নয়,কারো প্রতি গেয়ে যাওয়া বিষাদের চূড়ান্ত আলপনায় আঁকা চার লাইনের গান,শেষ গান।

দৌলাবৌদিকে চিঠি লিখতে গিয়ে নিজের জীবনের উত্থান পতনের বর্ণনায় বাচ্চুর একগুচ্ছ চিঠির সমাহার হিসেবে আমরা পেয়েছি উপন্যাস 'মেমসাহেব'।

আমরা যখন ভালোবাসায় বর্তমান থাকি তখন ভালোবাসাকে বড্ড সহজ মনে হয়। কিন্তু সেই ভালোবাসা হারালে ফেলে আসা প্রত্যেকটা মুহূর্ত,প্রত্যেকটা কথা,প্রত্যেকটা সময় যেন আয়নার মতো চোখে ভাসে। মনে জীবন্ত রয়।
সেটা বর্ণনা করতে গেলেও পাশ কাটিয়ে খুব সহজে বর্ণনা করা যায় না,আপনা আপনিই একটু আবেগমাখা হয়ে যায়। বর্ণনা করতে গিয়ে অতীতের একটু সুখ পেতে আমরাই একটু গাঢ় করে বর্ণনা করি।

ঠিক এই কাজটিই নিমাই ভট্রাচার্য করিয়েছেন বাচ্চুকে দিয়ে। মেমসাহেবের সাথে কাটানো সময়ের সূক্ষ্মতম বিবরণ অনেক পাঠককেই বিব্রত করেছে। অনেকে বলেছেন এরকম গদগদ বর্ণনার কোন মানে ছিলো না!
এক বসায় পড়তে গিয়ে মনে হয়েছিলো আমারও!

তবে শেষ করে যখন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভেবেছিলাম বাচ্চুরর অবস্থানের কথা! নিজেকে ভুল মনে হলো। মনে হলো,
ভালোবাসায় তো পাগলামি আর অস্বাভাবিকতাই মাধুর্য!

প্রথমে খাওয়া নিয়ে চার লাইন ছিলো না?
হ্যাঁ। মেমসাহেবকে হয়ত তার পাওয়া হয়নি। কিন্তু খুব স্বাভাবিক এক রিপোর্টার থেকে নিজের যৌবনিক অবস্থার উন্নতির উর্ধ্বগামী ট্রেন চলার পথে কাছে থাকার, ভালোবাসাবাসির কোন কমতি রয়নি দুজনের মধ্যে!
অপবিত্র ভালোবাসার প্রেমিকের চোখে পবিত্রতার সঙ্গা বরাবরই ছিলো!

বাচ্চুর সাধারন জীবন যাপনের ইচ্ছার সাথে তার জন্য মেমসাহেবের আকাশ পাতাল স্বপ্ন বরাবরই তাকে বিব্রত করতো! সে কখনও ভাবেও নি অতটা সে করতে পারবে। করেছিলো প্রায় সবই।
যার জন্য করেছিলো শেষে সেই হারিয়ে গেলো,শূন্য করে সব।

সহজ সাবলীল ভঙ্গিতে তখনকার বাংলাদেশ,কলকাতা,দিল্লীর রাজনৈতীক অবস্থার কিঞ্চিত বর্ণনার সাথে শেষে এত বড় সম্পর্ক মিলে যাওয়াটা গল্পকে পূর্ণতা দিয়েছিলো!
ধারাবাহিকতায় কবি হিসেবে খুঁত খুঁজলেও,পাইনি।

পুরোটা বই কুঁড়িটা অধ্যায়ে বিভক্ত ।
গরম গরম অংশগ্রহণ করবো বলে বিকেলেই শুরু করে শেষ সন্ধ্যায় শেষ করলাম।

উনিশটা অধ্যায়ে প্রেম,ভালোবাসার কত মধুর গল্প,চাকুরীতে উন্নতি,আর শেষের বেদনা সব ছিলো। হয়ত মেমসাহেবকে হারানোর সংবাদ দিয়ে বিষাদের মেঘ দিয়ে ঢেকে শেষ করা যেত উপন্যাসটি!
কিন্তু না।

আমি কখনই এরকম সমাপ্তির কথা এমন কোন উপন্যাস বা গল্পে ভাবিনি।

মেমসাহেবকে হারিয়ে যাওয়ার পরের জীবনের ধারাবর্ণনা ছিলো বেদনা প্রবন!
তার জন্য সাজানো একটা সংসারী ঘরে গিয়ে তার বিতে মালা পরিয়ে বিয়ে করার অভিনয়!
তার সাথে কাটানো প্রত্যেকটা জায়গায় গিয়ে হারানোর ঘা কে পুনর্জীবিত করা আর অশ্রুজলে সময় ভাসিয়ে বর্ণনা ছিলো..............
হারিয়ে যাওয়ার মতো!
SHARE

Author: verified_user