Friday

একটা বাসায় এসেছি। ১৭ বছরের একটা ছেলেকে খাব বলে। ঠক ঠক ঠক

SHARE

একটা বাসায় এসেছি, ১৭ বছরের একটা ছেলেকে খাব বলে - লেখিকা: Neeha Afrin



.
নক করার পরেই কাজের মেয়েটা এসে দরজা খুলল।আমি ক্ষীণ কণ্ঠে বললাম, এই যে বাসায় অন্য কেউ নেই?? মেয়েটা বলল আছে।আমি বললাম ডাক তাকে।১৭ বছরের একটা ফর্সা ছেলে এসে পাশে বসল।আমি ধীরে ধীরে তার কাছে গেলাম।গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম তোমার মা বাবা আজ বাসায় নেই?? উত্তরে ছেলেটা বলল না।আমি খিক খিক করে হাসি দিলাম।ছেলেটা কাজের মেয়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল কে এটা?? কাজের মেয়ে বলল হয়ত হবে তোমার বাবা মায়ের পরিচিত কেউ, তুমি বাসায় একা তাই পাঠিয়েছে তোমার কাছে।আমার মাথার উপরে বড় চুলের জট।মুখে ছিড়া বস্তার মুখোশ।গায়ে কালো জ্যাকেট ও তীক্ষ্ণ মেয়ে কন্ঠ শুনে ছেলেটা আমার থেকে একটু দূরে সরে বসল।রাত ১২ টা বাজতে এখনো ৩০ মিনিট বাকি। আমি ওকে বললাম তোমার নাম কি?? ও বলল সাগর। আমি বললাম তোমার নাম সাগর কেন?? ও বলল এমনি!! আমি আবার প্রশ্ন করলাম?? আচ্ছা তুমি কি চাকরী কর??ও বলল না।তারপর উঠে যেতে যেতে বলল আমি এখন যাই।আমি মুভি দেখব।আমি ওকে পিছন থেকে ডাকলাম।ও ঘুরে তাকানোর পর ওকে জিজ্ঞেস করলাম, ডায়নী দেখেছ?????আমি একটা ডায়নী।ও হেসে বলল এই আধুনিক যুগে কেউ এসব বিশ্বাস করে??
বলেই হাহা করে হাসতে লাগল।আমি বললাম সে কি তুমি পড়ালেখা কর তুমি জানো না?? পৃথিবী তে মোট ৭৮০ জন ডায়নী আছে। তারা মানুষের রক্ত খায় রাত ১২ টায় মানুষের কাটা মাথা দিয়ে পূজা করে।ছেলেটা কাছে এসে বলল তুমি একটা পাগল তুমি আবার আমার বাবা মা এর বন্ধু ও?? হাহা.. আমি বললাম কিসের বন্ধু?? আমি তো তাদের আজ দুপুরেই খেয়ে ফেলেছি।বলে আমার হাত থেকে ওকে দুইটা ফটো দিলাম।ফটোতে ওর বাবা মা এর কাটা মাথা।ও দেখে একটু ভড়কে গেল।আমি দাঁড়িয়ে গিয়ে বললাম তোমার বিশ্বাস হচ্ছে না তো যে আমি ডায়নী তাহলে দেখ আমাকে... আমি এখনই রক্ত খাব তবে তোমাকে খাব ১২ টার পর।এখন কাজের মেয়েকে খাব বলেই কাজের মেয়ের রুমে গেলাম সাগর ও দৌড়িয়ে আমার পিছনে আসল।আমি কাজের মেয়ের রুমে গিয়ে মুখোশ উচু করে দাত বের করেই কাজের মেয়ের পিছন থেকে গলায় কামড় বসিয়ে দিলাম।তারপর দিলাম এক টান গলার স্বরনালী ছিড়ে গেল।মেয়েটা তখন গো গো করছিল শুয়ে পরে।চুক চুক শব্দ পেয়েই সাগর বুঝতে পারল আমি কাজের মেয়ের রক্তগুল খেয়ে ফেলছি।এরপর মেয়েটার লাশ এর কাছ থেকে রক্তমাখা হাত ও পায়ে ভর দিয়ে কুকুরের মত সাগরের দিকে এগোতে লাগলাম সাগর প্রচন্ড ভয় পেয়ে পিছনে এগিয়ে যেতে যেতে সোফায় ধাক্কা খেয়ে বসে পড়ল।আমি চার হাত পায়ে হাঁটতে হাঁটতে ওর সামনে এসে দাঁড়িয়ে মুখোশ থেকে আস্তে করে লাল লাল রক্তমাখা দাঁত বের করে সাগরের গলার কাছে এগিয়ে গেলাম আর তক্ষনি ঢং ঢং করে ১২ টার ঘন্টা বাজল।সাথে সাথে আমার মুখোশ খুলে গেল।সাগরের বাবা কেক নিয়ে দৌড়ে আসল কাজের মেয়েটাও শোয়া থেকে হাসতে হাসতে উঠে এল দারুণ অভিনয় করেছে আমাদের কাজের মেয়েটা।সাগর এখনো হা করে আছে।প্রচন্ড ভয় পেয়েছে ছেলেটা।হাহা আমি বলে উঠলাম কেমন দিলাম আমার বীরপুরুষ?? ১৮ বছরে আজ পা দিলি।আজ তোর জন্ম দিন।তাই এই সারপ্রাইজ। ওর বাবা ইয়া বড় কেক আর চাকু নিয়ে হাজির।মিউজিক বাজছে।আমাদের একমাত্র ছেলে বলে কথা!! সবাই হাসছে কিন্তু সাগর এখনো হা করে আছে।আমি বললাম এই ছেলে এত ভয় পেলে হয় চল কেক কাটি.. বলে আলতো করে ওকে ধরতেই ও লুটিয়ে পরল।ওর বাবা পালস চেক করে চিৎকার করে সাগর আর নেই বলে কেঁদে উঠল।ভয়ে স্টক করে সাগর আমাদের ছেড়ে চলে গেছে।ওর নিষ্পাপ ভয়ার্ত মুখটা আমার দিকে চেয়ে এখনো হা করে আছে আমি এখন কি জবাব দেব আমার নিজেকে?? কি করব এখন আমি?? চিৎকার দিয়ে গলা ফাটিয়ে বলতে ইচ্ছে করছে সাগর আমি আর কক্ষনো এমন করব না বাবু।কথা বল এবার। প্লিজ কথা বল।




SHARE

Author: verified_user