Friday

টিউশন মিডিয়া

SHARE

মিডিয়া থেকে টিউশন নেয়ার উদ্দেশ্যে আজ ষোলোশহর মিডিয়ার অফিসে গেলাম


 টিউশন মিডিয়া


মিডিয়া থেকে টিউশন নেয়ার উদ্দেশ্যে আজ ষোলোশহর মিডিয়ার অফিসে গেলাম। টিউশনটি ছিলো লালখান বাজারে ক্লাস সিক্সের স্টুডেন্ট। সম্মানী ২৫০০ টাকা। যাওয়ার পর যথারীতি আমাকে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে দেয়া হলো।


 আমি ফরম পূরন করছি এমন সময় আমাকে জিজ্ঞেস করলেন,
:কোথায় পড়েন?
:মহিলা কলেজ, এনায়েত বাজার। 
:গার্ডিয়ানকে বলবেন আপনি সিও তে পড়েন।
: কেন? 
:কারণ উনারা সিউ এর টিচার চায়।
:তো আপনি আগে কেন বলেন নি, অথবা পোস্টে ইনডিকেট কেন করেন নি?
:বলতে হয়না, সবাই এভাবেই নেয়?
:সবাই এভাবে নেয়?
:হ্যা, টিউশনটি নিতে হলে আপনাকে এভাবেই নিতে হবে।
:জেনে শুনে হারাম খাবো আমি? অসম্ভব। আপনারা হারাম খাচ্ছেন আর অন্যকেও হারাম খাওয়াচ্ছেন। লাগবেনা আমার টিউশন 
চলে এলাম শুধু শুধু গাড়ি ভাড়া খরচ করে। এই ঘটনাটা শেয়ার করার উদ্দেশ্য এই যে, আমরা গার্ডিয়ানরা সিইউর বা মেডিকেলের স্টুডেন্ট খুজতে গিয়ে মিডিয়ার শরণাপন্ন হই। আর তখনি প্রতারণার শিকার হই। প্রতারিত হওয়ার পর হয়তো তারা জানতেও পারেন না যে তারা প্রতারিত হচ্ছেন। জানবেনই বা কি করে। ক্লাস সিক্সের স্টুডেন্ট পড়াতে তো সিউর স্টুডেন্ট লাগেনা। আমাদের মতো বিবিএ পড়া ছেলেমেয়েরাও তারচেয়ে(ক্লাস ৬) বেশি ক্লাসের স্টুডেন্ট পড়ানোর যোগ্যতা রাখি। যেখানে উচ্চ মাধ্যমিকের স্টুডেন্ট পড়াতে সিউ লাগেনা। সেখানে ক্লাস সিক্সের স্টুডেন্ট পড়াতে সিউর স্টুডেন্ট খুজে। তো বের হয়ে আসার সময় মিডিয়ার আরেকজন লোককে দেখতে পেলাম। বেশ পরিচিত মনে হলো। কিছুক্ষণ পর মেনে পড়লো এই সেই ২ নাম্বার গেঈটের মিডিয়ার লোক, যে টিউশন দিবে বলে টাকা নিয়েছিলো। কিন্তু টিউশনটি হয়নি। পরে টাকা ফেরত দিচ্ছিলোনা। ৪/৫ মাস ঘুরে টাকা না পেয়ে আমি আইনের শরণাপন্ন হয়ে টাকা আদায় করি। এসকল ফালতু প্রতারক মিডিয়ার দ্বারা আমরা অসহায় টিচার এবং গার্ডিয়ানরা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছি। এসকল ভুয়া মিডিয়া থেকে ভাই বোন সবাইকে সাবধান হওয়ার অনুরোধ করছি।

-Roksana
SHARE

Author: verified_user