Tuesday

Romantic Golpo | বাংলা রোমান্টিক গল্প - পাশের বাসার ভাড়াটিয়া মেয়েটা

SHARE

                                      Romantic Golpo | বাংলা রোমান্টিক গল্প - পাশের বাসার ভাড়াটিয়া মেয়েটা

Romantic Golpo | বাংলা রোমান্টিক গল্প - পাশের বাসার ভাড়াটিয়া মেয়েটা
Romantic Golpo | বাংলা রোমান্টিক গল্প - পাশের বাসার ভাড়াটিয়া মেয়েটা


পাশের বাসায় আসা নতুন ভাড়াটিয়ামেয়েটা এত্ত এত্ত কিউট তুই কল্পনাও
করতে পারবিনা ভাইয়া।
 ছোট বোন
টিভি দেখার সময় কথাগুলো বলছিল।
আমি না শোনার ভান করে খাবার
টেবিলে চলে আসলাম কেননা আমি
যদি আগ্রহ দেখিয়ে কিছু জিজ্ঞেস
করি তাহলে সেটা আম্মুর কান অবধি
পৌঁছে যাবে। খাচ্ছি আর ভাবছি
মেয়েটাকে কিভাবে দেখা যায়।
খাওয়া শেষ করে সেদিনের মত
ঘুমিয়ে পড়লাম।


ভোর সকালে হাফ প্যান্ট পরে ঘুম ঘুম
চোখে ব্রাশ নিয়ে ছাদে চলে
আসলাম। সামনের ছাদে কে যেনো
দড়ি লাফ দিচ্ছে, ছেলেদের জ্যাকেট
পরা কিন্তু চুল তো মেয়েদের! মুখ
অন্যদিকে ঘোরানো। ওমা! এই মেয়ে
তো থামছেই না! কয়েকশ দড়ি লাফ
দেয়া শেষ তবুও থামে না কেন! অধৈর্য
হয়ে ছাদ থেকে নেমে আসতে
চেয়েছিলাম কিন্তু দেখার আগ্রহটা
আমায় নামতে দিল না। অনেকক্ষণ পরে
মেয়েটা আমার দিক ফিরল।
 ইয়া
আল্লাহ!!! এ তো পুতুলের মত দেখতে! এত
সুন্দর কেন! মুন এই মেয়ের কথাই বলেছিল
কাল রাতে তাহলে! মেয়েটা আমার
দিকে একপলক তাকিয়ে নাক
সিটকিয়ে নেমে গেল ছাদ থেকে।

Romantic Golpo | বাংলা রোমান্টিক গল্প



টেবিলে বসে নাস্তা করছি ঠিকই
কিন্তু আমার মাথায় ঐ মেয়ের নাক
সিটকানি দৃশ্যটা ভাসছে বার বার।
যেই মেয়ের নাক সিটকানিটা এত্ত
সুন্দর দেখতে তার হাসিটা না কত সুন্দর!
আমি আজ অবধি কোন মেয়ের এত গাঢ়
জোড়া ভ্রু দেখিনি। এই মেয়েকে
ভালবেসে না মরলে সাত জনমের
আক্ষেপ নিয়ে মরতে হবে। দ্রুত খাবার
শেষ করে আবার ছাদে চলে আসলাম।
না মেয়েটা নেই।মেয়েটার সম্পর্কে
কিছু জানার দরকার। 
নিচে গিয়ে
মুনকে বললাম - অনেকদিন হল বাইরে
খেতে যায়না, চল আজ খাব আর তোকে
টুকটাক কিছু কিনে দেব। মুন খুশিতে
গদগদ হয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরল।
রিক্সায় উঠে দুই ভাই বোন যাচ্ছি ঠিক
তখনি সামনে দিয়ে মেয়েটা চলে
গেল। মুন আমার শার্ট টেনে ধরে বলল -
ভাইয়া, ভাইয়া , কাল এই মেয়েটার
কথা ই বলেছিলাম তোকে। উনি
আমাদের কলেজেই ভর্তি হয়েছে।
ইন্টারমিডিয়েট এ এবার। দারুন কিউট
না। আমি না দেখার ভান করে বললাম
কাকে দেখাচ্ছিস, কাওকে তো
দেখছিনা। মনে মনে গ্যাংনাম
স্টাইলে নেচে নিলাম কেননা আমার
ইনফরমেশন অর্ধেক পেয়ে গিয়েছি। এখন
শুধু ওর নাম আর ফোন নম্বর পেলে হয়।
মুনকে দিয়েই কাজটা করাতে হবে খুব
সুক্ষ্ণভাবে।


পাশের বাসার ভাড়াটিয়া মেয়েটা



  • খেতে খেতে বললাম - পাশের ছাদে
  • কে এত লাফাচ্ছিল রে সকালে? আরে
  • ঐ মেয়েটাই যার কথা বলছিলাম
  • তোকে। 
  • ও আচ্ছা, নাম কীরে
  • মেয়েটার। ছোট বোন লেগ পিসে বড়সড়
  • কামড় বসাতে বসাতে বলল - উনার নাম
  • জানিনারে । 
  • আমি আর কথা না
  • বাড়িয়ে খাবার শেষে বিল দিয়ে
  • চলে আসলাম।
  •  আজ কেনাকাটা করে
  • টাকা নষ্ট করলে সেটা লস প্রজেক্ট
  • হয়ে যাবে, তাই আগামীদিনের
  • ইনফরমেশন পাবার জন্য কেনাকাটার
  • অপশনটা নানা অজুহাত দেখিয়ে স্কীপ
  • করে গেলাম।


 বিকেলে ছাদে গিয়ে
দেখি মেয়েটা একটা নেটের ভিতর
ক্রিকেট বল ঝুলিয়ে বেদুম পেটাচ্ছে!
এ মেয়ে দেখি ক্রিকেটার!
খেলোয়াড় টাইপ মেয়েগুলো পুরুষ পুরুষ
ভাবে থাকে অলয়েজ, প্রেম টেমে
কেয়ার করেনা তেমন। মনের ভিতর কু
ডাক ডাকা শুরু হল। মেয়েটা একটানা
এক ঘন্টা বল পিটিয়েছে, একবারের
জন্যও থামেনি। পাত্তা না পেয়ে
নেমে আসলাম।
সকালে বাজার করতে যাবার সময়
দেখলাম মেয়েটা ওদের বাসার
সামনে প্যাড, গ্লোভস, হেলমেট পরে
ব্যাটিং করছে। দুটো ছেলে একটানা
তাকে বল করছে, মেয়েটার সাথে
আমার চোখাচোখি হয়ে গেল,
হেলমেটের ভিতরে আবারো নাক
সিটকিয়ে ব্যাট করতে মনোযোগ দিল।
ছক্কা...বল কোথায় গিয়ে পড়ল বুঝতে
পারলাম না। ভয়ে ভয়ে বাজারের
দিকে চলে আসলাম, আমি এমনিতেই
ক্রিকেট পারিনা পাছে যদি বল
করতে বলে তাহলে তো ইজ্জতের
ফালুদা হয়ে যাবে। বাজার শেষে
রুমে বসে আছি, ছোট বোন এসে বলল
ওদের স্কুল মাঠে আজ কলেজ লেভেলের
মেয়েদের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের
ফাইনাল ম্যাচ। তাড়াতাড়ি ছুটি হয়ে
যাবে আমি যেন ওকে গিয়ে নিয়ে
আসি। আমিও ওর সাথে চলে আসলাম।
মাঠে বসে খেলা দেখছি।
মেয়েটা ব্যাট করতে নেমেছে, স্কোর
বোর্ডে ইংরেজি অক্ষরে লেখা
"Tonni" তার মানে মেয়েটার নাম
তন্বী!। তন্বী ফিফটি করল আর চার
উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ! তন্বীর
সাথে আমার চোখাচোখি হল, অদ্ভুত
হলেও তন্বী এবার নাক সিটকায়নি!
ঠোঁটের কোনে হালকা হাসি দিয়ে
চলে গেল। তন্বীর ঘামে ভেজা কপাল,
ঘামে ভেজা জার্সি, গরমে লাল হয়ে
যাওয়া মুখ আর ক্রিকেটীয় এক্সপ্রেশনে
আমি কাবু হয়ে গিয়েছি।
এভাবে চোখে চোখে ভাব বিনিময়
চলছিল বেশ, ঝামেলা বাধিয়েছে
ছোট বোন । সে মাকে বলে দিয়েছে
আমি তন্বীর পিছনে ঘুরছি, তন্বী
আমাকে পাত্তা দেয়না তবুও আমি
বেহায়ার মত ঘুরছি এটা নিয়ে নাকি
ওর বান্ধবীরা ওকে পচাচ্ছে। মা কোন
কথা না শুনেই চলে গেলেন তন্বীদের
বাসায়! ভয়ে আমার হাত পা ঠান্ডা
হয়ে আসছে। কিচ্ছুক্ষণ পর মা ফিরে এসে
বললেন, মিথুন তোর পড়াশুনা শেষ
হয়েছে। চাকুরী খোজ ভাল করে।
মেয়ে মাশা আল্লাহ খুব ভাল দেখতে।
মায়ের মুখের স্মীত হাসিটা দেখার
মত ছিল। ছোট বোন তখন বলল - মা, ঐ
আপুটা ক্রিকেট খেলে কিন্তু। মা ধীর
কন্ঠে বললেন - শালীনতা রেখে যা
ইচ্ছে করুক।


এই জন্যই আমার মাকে আমি অন্যদের
মায়ের সাথে কখনো তুলনা করিনা
কেননা উনার তুলনা উনি নিজেই।
রক্ষণশীল চিন্তা চেতনা উনার ভিতরে
কোন কালেই ছিল না।
মায়ের দেয়া সার্টিফিকেট পেয়ে
তন্বীর পিছনে ঘুরাঘুরি আগের চেয়ে
বাড়িয়ে দিলাম। এর মাঝে একটা
প্রাইভেট কোম্পানিতে মুটামুটি
একটা চাকুরী জোগাড় হয়ে গেল।
আগেরমত তন্বীকে এতটা সময় না দিতে
পারলেও রোজ চোখাচোখি ঠিকই হয়,
তন্বী মাঝে মাঝে হাসে আবার
মাঝে মাঝে চোখ ফিরিয়ে নেয়। এই
মেয়েকে বোঝা বেশ মুশকিল হয়ে
যাচ্ছে। দেখতে দেখতে এক বছর কেটে
গেল অথচ কোনদিন কথা বলিনি, আমার
জড়তা আর তন্বীর অদ্ভুত ব্যবহার এর জন্য
দায়ী।

ঘরে শুয়ে রয়েছি, তন্বীর মা আর আমার
মা এসে বললেন তন্বীর নাকি আজ
কোথায় ম্যাচ ছিল। সেখান থেকে
এখনো ফেরেনি অথচ এখন রাত সাড়ে
আটটা। তন্বীর বাবা বাসায় ফিরে
তন্বীকে না পেলে খেলা বন্ধ করে
দিবে এমনিতেই তন্বীর খেলা উনি
ভাল চোখে দেখেন না। কাল রাতে
স্বপ্ন দেখেছি মাথায় বল লেগে
তন্বীর মাথা ফেটে গেছে, সব অস্থির
লাগতে শুরু করল। দ্রুত বের হয়ে আবাহনীর
মাঠের দিকে যেতে লাগলাম।
ফার্মগেটের কাছে এসে দেখি তন্বী
তার ইয়া বড় ব্যাগ কাধে ঝুলিয়ে ওভার
ব্রীজের উপর উঠছে। আমি দৌড়ে
গিয়ে ওর পিছু পিছু উঠলাম। তন্বীকে
ডাক দিলাম পিছন থেকে, তন্বী আমার
দিকে বিস্ময়ের দৃষ্টিতে তাকিয়ে
আছে, আমি খুব কাছে গিয়ে চোখে
চোখ রেখে জিজ্ঞেস করলাম - কোন
সমস্যা হয়নি তো? এত দেরি হল যে।
তন্বী ক্লান্ত গলায় বলল- ঐদিকে
রাস্তা বন্ধ, হেটে আসতে হয়েছে।
আমি দ্রুত গলায় বললাম- বাসার সবাই
চিন্তা পড়ে গেছে। তন্বীর আমার
পায়ের দিকে তাকিয়ে বলল- চিন্তায়
উনারা একা ছিল? আপনি ছিলেন না?
আমি পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখি
আলাদা আলাদা দুটো জুতো পরে
এসেছি।


এই প্রথম তন্বীর সাথে একই রিক্সায়!
তন্বীর ঘামে ভেজা শরীরের গন্ধটার
কাছে তাবৎ দুনিয়া পারফিউম হার
মেনে যাবে। তন্বীর মুখে সোডিয়াম
লাইটের আলো এসে পড়েছে, মুখে যেন
জ্যোছনা খেলা করছে। তন্বীর চুল
বাতাসে উড়ে এসে আমার মুখ ঢেকে
দিচ্ছে, তন্বী দ্রুত চুল গুছিয়ে নেবার
চেষ্টা করছে । মনে হচ্ছে সমুদ্রের ঢেউ
আমার চোখে মুখে আছড়ে পড়ছে। হঠাৎ
রিক্সা থামিয়ে দিয়ে তন্বী বলল- এক
বোতল পানি আনতে পারবেন? তন্বীর
বেশ খিদে পেয়েছে বোঝা যাচ্ছে,
আমি দ্রুত রিক্সা থেকে নেমে। একটা
জুস, মিনারেল ওয়াটার আর কেক নিয়ে
আসলাম। প্রথমে তন্বী খেতে চাইল না,
আমার জোরাজুরিতে খেয়ে
নিয়েছিল পরে।
এর মাঝে এইচ এস সি পরীক্ষা শেষ হবার
পর যেখানে অন্যরা এডমিশন নিয়ে
ভাবে সেখানে তন্বী সারাদিন
প্র্যাক্টিস শুরু করল। অফ ডে থাকায়, আমি
তন্বীদের বাসার সামনে গিয়ে দেখি
তন্বীকে একটা পিচ্চি বল করছে, আমি
দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম। হঠাৎ তন্বী
ইশারা দিয়ে কাছে ডাকল। কাছে
যাবার পর বলল- এই পিচ্চির বল খেলে
মজা পাচ্ছিনা। আপনার কাজ না
থাকলে কয়েকটা ওভার বল করবেন? এই
রে সেরেছে! এই মেয়েতো বেদুম
পিটাবে! কি করব বুঝে উঠার আগে
তন্বী আমার কাছে এসে আমার হাতে
বলটা তুলে দিল, এই প্রথম তন্বী আমাকে
স্পর্শ করল।হোক না বলের অজুহাতে,
ক্ষতি কী! ভালবাসার মানুষটা যদি
হাতে বিষের শিসি তুলে দিয়ে একটু
ছুঁয়ে দেয় তাতে ক্ষতি কী?
না, যা ভেবেছিলাম তা না। মুটামুটি
ভালই বল করলাম।
তন্বীকে ভালবাসি এই কথাটা
কিভাবে বলা যায়? এই নিয়ে ভাবনায়
পড়েছি।কেননা আমি যেখানে
ভালবাসা বলতে বুঝি পূর্ণ জ্যোছনাতে
তন্বীর হাত ধরে বহুদূর হেটে যাওয়া
সেখানে তন্বী ভালবাসা বলতে
বোঝে লুজ বলে ছক্কা হাকানো, আমি
যেখানে ভালবাসা বলতে বুঝি
এলোমেলো হওয়া রাতে তন্বীকে শক্ত
করে ধরে বুকের সাথে মিশিয়ে দুজনার
পাজরে কাঁপুনি ধরানো সেখানে
তন্বী ভালবাসা বলতে বোঝে
উইকেটে সেট হওয়া ব্যাটসম্যানকে
ইনসুইয়ং বল করে স্টাম্প ভাঙা, আমি
যেখানে ভালবাসা বলতে বুঝি শেষ
বিকেলে কাশফুলের মাঝে হারিয়ে
যাওয়া সেখানে তন্বী ভালবাসা
বলতে বোঝে ফ্রি হিট বলে
বাউন্ডারি হাকানো।
না কিছু একটা করতেই হবে। চলে
আসলাম গুলিস্তান, দামী দেখে একটা
সিএ ব্যাট, এক জোড়া প্যাড, হেলমেট,
গ্লোভস, জার্সি কিনলাম। তারপর
কাওরান বাজার চলে আসলাম, সেখান
থেকে শিমুল তুলোর বালিশ কিনে
নিলাম। খেলা শেষে তন্বীকে নিয়ে
চলে আসলাম চন্দ্রিমা উদ্যানে।
তন্বীকে শর্ত দেয়া ছিল কিছু
জিজ্ঞেস করতে পারবেনা।
তন্বীর সামনে ব্যাট, প্যাড, হেলমেট,
জার্সি আর গ্লোভস রেখে বলেছিলাম
:- তন্বী আমি তোমার পাশে থেকে
তোমার স্বপ্নগুলোকে অতি যত্নে লালন
করতে চাই, তোমার বাউন্ডারি
হাকানো বল কুড়িয়ে এনে তোমাকে
বার বার বল করতে চাই, তোমার একজন
ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পাওয়ার হাউজ
আর একটা শক্ত হাত হয়ে ভরাসা দিতে
চাই আমি সারাটা জীবন ধরে।
বিনিময়ে শুধু আমার পাশে থেকে
আমার হাতটা ধরবে, পারবেনা তন্বী?
তন্বী চুপ করে আমার দিকে তাকিয়ে
আছে, খানিকক্ষণ পর মুখ খুলে বলল -
সবই তো ঠিক আছে, তবে এই বালিশ
কিসের জন্য? আমি বললাম- তুমি যখন
ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরবে তখন এই
বালিশে ঘুমাবে, আমার স্পর্শ আছে
এতে। বালিশটার উপর যত্ন করে তোমার
মাথা রাখবে, তোমার সুখ, দু:খ গুলোর
সাক্ষী রবে এই বালিশটাই কিন্তু।
তোমার শেষ রাতের মধুর স্বপ্নটা এই
বালিশেই বন্দী থাকবে। আলসেমির
সকালে বালিশটাকে কোলে জড়িয়ে
ধরে আমায় ভাববে, তাতেই আমি খুশি।
তন্বী আমার খুব কাছে এসে আমার
হাতটা ধরে বলল- রাত হচ্ছে,
ভালবাসার পর্বটা চল লোকাল বাসে
তোমার কাধে মাথা রাখা থেকেই
শুরু করি।


এইতো আলহামদুলিল্লাহ, বেশ আছি দুজন।
তন্বী এখন ভাল পজিশনে আছে। বউটার
স্বপ্ন ন্যাশনাল টিমে খেলা, আমি
জানি সে পারবে। একটা পুরুষের চেয়ে
একটা মেয়ে বেশি ধৈর্য্যর পরিচয়
দিতে জানে, তারা বেশ দৃঢ়প্রত্যয়ী হয়।
কেউ একজন শুধু পাশে থেকে, তার
স্বপ্নগুলোকে একটু ভালবাসলেই সেও
দুনিয়া জয় করতে জানে। আর যে পুরুষটা
তার স্বপ্নগুলোকে ভালবাসতে জানে
তাকে সকাল দুপুর পুজো দিতে একচুলও
কার্পণ্য করেনা এরা।

Romantic Golpo | বাংলা রোমান্টিক গল্প - পাশের বাসার ভাড়াটিয়া মেয়েটা
Keywords


  • bangla soto golpo pdf
  • bangla mojar golpo bangla font
  • bangla choto hasir golpo

SHARE

Author: verified_user